চুম্বক কাকে বলে? মাটির তলায় লোহার একটি যৌগিক পদার্থ ম্যাগনেটাইট পাওয়া যা দুটি মজার গুণ রয়েছে
এক ছোট ছোট লোহাকে আকর্ষণ করা দুই মুক্ত অবস্থায় ঝুলিয়ে রাখলে উত্তর-দক্ষিণমুখো হয়ে থাকা।
এই গুণসম্পন্ন পদার্থকেই চুম্বক বলে। প্রাকৃতিক অবস্থায় পাওয়া চুম্বককে প্রাকৃতিক চুম্বক এবং মানুষ লোহা বা ইস্পাতের চুম্বকত্ব দিলে পাওয়া য কৃত্রিম চুম্বক। চুম্বক যাদের আকর্ষণ করে তাকে বলে চুম্বকীয় পদার্থ।
চুম্বকের সবচেয়ে জোরালো অংশ কোনটি?
চুম্বকের দুই প্রান্তকে তার মেরু বলা হয়। প্রত্যেক চুম্বকের দু'প্রান্তে একটি করে মেরু থাকে। যে কোন আকারের চুম্বকই হোক না কেন, চুম্বকের মাঝখান থেকে তার দুই প্রান্তে আকর্ষণ ক্ষমতা বেশি।
নিজেরা কিভাবে চুম্বক বানানো যায়?
একটা ইস্পাতের কাটাকে সহজেই চুম্বক বানানো সম্ভব। কাটাটা টেবিলের উপর রেখে একটা চুম্বক দিয়ে তার একদিক থেকে আর একদিকে লম্বা লম্বা ঘষা দিতে হবে। একই দিকে এবং এক টান-ই মেরু দিয়ে এরকম প্রায় ৩০- ৩৫ বার টান দিলে দেখা যাবে কাটাটা চুম্বক হয়ে গেছে।
বাজ পড়ার সময় কোথায় থাকা নিরাপদ?
বিচ্ছিন্ন উঁচু গাছ, দেওয়াল, টেলিগ্রাফ বা টেলিফোন পোস্ট, ব্রীজের তলায় বা ছাতার তলায় বাজ পড়ার সময় খুবই বিপদজনক। ইস্পাতের ফ্রেমের বাড়ি, বজ্রবহ যুক্ত বাড়ি চালাঘর কিন্তু বাজ পড়ার সময় নিরাপদ ।
সূর্যকে কি সত্যিই দেখা যায়?
সূর্য পৃথিবী থেকে ১৫০,০০০,০০০ কি.মি দূরে। আলো এই দূরত্ব অতিক্রম করতে ৮ মিনিট ৩৮ সেকেন্ড সময় নেয়। অর্থাৎ সূর্যকে আমরা যে জায়গায় দেখি, আসলে সূর্য সেখান থেকে তখন নিজের ব্যাসের প্রায় দু-গুণ দূরে অবস্থিত।