পোকামাকড় থেকে ভনভন শব্দ কিভাবে হয়? মাছি ওড়ার সময় তার ডানাগুলো সেকেন্ডে ৩৫২ বার, মশা সেকেন্ডে ৫০০ থেকে ৬০০ বার, মৌমাছি ৪৪০ বার ঝাপটায়। একটা পাতকে দ্রুত কাঁপালে যেমন শব্দের উৎপত্তি হয় তেমনি পোকামাকড়ের পাখাগুলোও দ্রুত কাঁপার ফলে এক ধরনের ভনভন শব্দ হয়। এটা ওদের ডানা ঝাপটানোর কারণেই হয়ে থাকে।
সব শব্দই কি শোনা যায় বা কানে আসে?
যে কোন কম্পাঙ্কের তরঙ্গ কানে শব্দ হিসেবে ধরা পড়ে না। প্রতি সেকেন্ডে ১৬ থেকে ২২,০০০ কম্পাঙ্কের শব্দ কানে আসে বা আমরা শুনতে পাই। বৃদ্ধ লোকেরা অনেক সময় প্রতি সেকেন্ডে ৬০০০ কম্পাঙ্কের শব্দও শুনতে পান না। কম্পাঙ্ক ১০০,০০০,০০০,০০০,০০০ পর্যন্ত প্রতি সেকেন্ডে তোলা সম্ভব। যাকে বলে আল্ট্রাসনিক শব্দ। এই আলট্রাসনিক শব্দ শোনা যায় না।
আলোকবর্ষ কাকে বলে?
এক বছর মানে ৩৬৫ দিন। বছরকে সেকেন্ডে পরিণত করলে দাঁড়ায়- ৩৬৫ x280 x 6 = ৩১৫৩৬০০০ সেকেন্ড। আলোকবর্ষ কিন্তু দৈর্ঘ্যের একক। ওপরের যে সংখ্যাটি লেখা হয়েছে-তত সেকেন্ডে আলো যে দুরত্ব অতিক্রম করে তাকে আলোকবর্ষ বলে। আলো প্রতি সেকেন্ডে চলে ১,৮৬,০০০ মাইল । এক আলোকবর্ষ = ৫.৮৬ x ১০ মাইল (প্রায়)
এরোপ্লেন বা পাখি নিচু দিয়ে উড়ে গেলে ছায়া পড়ে, কিন্তু ওপর দিয়ে উড়ে গেলে ছায়া দেখা যায় না কেন? এক্ষেত্রে উৎস বাধার থেকে অনেক বড় আকারের, অস্বচ্ছ বাধা অর্থাৎ পাখি বা এরোপ্লেন মাটির কাছে থাকলে প্রচ্ছায়াই মাটিতে পড়ে। কিন্তু বাধার সঙ্গে পর্দা অর্থাৎ মাটির দূরত্ব বেড়ে গেলে উপচ্ছায়া পাতলা থেকে আরও পাতলা হয়ে অবশেষে অদৃশ্য হয়ে যায়। তাই বেশি উপর থেকে পাখি বা প্লেন উড়ে গেলে তার ছায়া দেখা যায় না।