গাছের বয়স জানা যায় কিভাবে এবং গাছেরা কিভাবে শ্বাস নেয় খাবার খায় There is no end to how plants eat food

গাছের বয়স কিভাবে জানা যায়?

যে সব গাছ একাধিক বছর বেঁচে থেকে বড় হয় প্রত্যেক বছরই তাদের কাে নতুন কোষের সৃষ্টি হয়। কাঠময় গাছের কাঠে এই ক্রমবৃদ্ধির বৃত্তাকার ছাপ স্পষ্ট দেখা যায়। এই ছাপ গুণে কাঠময় গাছের বয়স নির্ণয় করা সম্ভ গাছেরা কিভাবে শ্বাস নেয় ও খাবার খায়ব।

কর্ক কি?

বড় গাছের কাণ্ডে বাইরের দিকের ছাল বা বাকলকে সাধারণভাবে কর্ক বলা হয়। শিশি-বোতলের ছিপি হিসেবে আমরা যে কর্ক ব্যবহার করি, তা আসলে এক ধরনের ওক গাছের বাকল থেকে তৈরি করা হয়।

শীতে গাছের পাতা ঝরে কেন? শীতের দেশে বা নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে শীতের দিনে সূর্যকিরণ ও দিনের সময় কম বলে সালোকসংশ্লেষণ ভালভাবে করা সম্ভব নয়। এটাই গাছের বিশ্রামের শ্রেষ্ঠ সময়। হেমন্তে এই সব গাছ পাতার থেকে খাবার সংগ্রহ করে নেয়। রঙ বদলের সাথে ক্রমে ক্রমে এই সব পাতা ঝরে যায়। বসন্তে আবার নতুন পাতা বের হয়।

সবচেয়ে বড় গাছ কোথায় পাওয়া যায়? 

উত্তর আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার জঙ্গলে এবং পার্বত্য অঞ্চলের মোচাকৃতি রেডউড বা রেড জায়ান্ট বৃক্ষই এখানকার সবচেয়ে বড় গাছ। বর্তমানে এদের মধ্যে বড় গাছটি প্রায় ১১১ মিটার উঁচু।গাছেরা কখন শ্বাস নেয়?

এক সাথে অনে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ এবং ত্যাগ করে। যেহেতু দিনেরবেলায় উদ্ভিদ কার্বন ডাই-অক্সাইডের কার্বনকে খাদ্যে রূপান্তরিত করে, এই সময়ে এরা যতটা অক্সিজেন গ্রহণ করে তার চেয়ে বেশি ত্যাগ করে। অবশ্য রাতে এটা উপটে যায়।

গাছের বৃদ্ধি কখন বন্ধ হয়?

গাছের বৃদ্ধি বন্ধ হয় না। আমৃত্যু বৃদ্ধি ঘটে। শীতের দেশে গ্রীষ্মকালে গাছের বৃদ্ধি ঘটে আর শীতে এসে থমকে দাঁড়ায়। গ্রীষ্মমণ্ডলে সারা বছরই গাছ বাড়তে থাকে।

মরুভূমির গাছপালা দূরে দূরে জন্মায় কেন?

এর মূল কারণ পানির অভাব। এখানকার উদ্ভিদের মূলে একরকম রাসায়নিক পদার্থ জন্মায় যা কাছাকাছির মাটি বিষাক্ত করে তোলে এবং অন্য কোনো উদ্ভিদ জন্মাতে বাধা পান করে। এ কারণেই মরুভূমির গাছপালা দূরে দূরে জন্মায়।

ভাইরাস কি?

ভাইরাস জীবজগতের সবচেয়ে ছোট নিউক্লিয়াসহীন এককোষী বস্তু। সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমেও এদের দেখা যায় না। এরা নানা রকম অসুখ বিসুখের জন্য দায়ী। ভাইরাস জীবন্ত প্রাণী, উদ্ভিদ, ছত্রাক এবং ব্যাক্টেরিয়া ইত্যাদির দেহে থাকে।

প্রবাল পাহাড় কি দিয়ে তৈরি?

প্রবাল পাহাড় প্রবালকীট নামে প্যারাজোয়া পর্বের একটি ক্ষুদ্র বহুকোষী প্রাণীর কঙ্কাল দিয়ে তৈরি। প্রবালকীটেরা অগভীর সমুদ্রের উষ্ণ পানিতে সাধারণত ডুবো পাহাড়ের গায়ে অগণিত সংখ্যায় একসাথে বাস করে। চুন জাতীয় পদার্থ দিয়ে এরা যে শক্ত ভিত তৈরি করে তাই আসলে প্রবাল। কীটের দেহ থেকে কুড়ির মত আরেকটা দেহ বের করে এরা বংশ বিস্তার করে এবং ভিতগুলোও একে অপরের সাথে জোড়া লেগে বিরাট আকারে পাহাড় তৈরি করে।

ঘাসের রঙ সবুজ কেন?

ঘাস এবং বেশিরভাগ উদ্ভিদের রঙ সবুজ কারণ এদের কোষে আছে ক্লোরোপ্লাস্ট যার মধ্যে থাকে চারটি বিভিন্ন রঙ। এগুলি হল: (১) ক্লোরোফিল এ যার রঙ নীলচে সবুজ এবং যা সবচেয়ে শক্তিশালী, (২) ক্লোরোফিল বি যার রঙ হলদে সবুজ, (৩) জ্যান্টোফিল যার রঙ হলদে এবং (8) কমলা রঙের ক্যারোটিন। এই রঙগুলির পরিমাণের পার্থক্যে ঘাসের রঙও তুর সাথে বদলায়।

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post
Premium Reward Video
🎁 রিওয়ার্ড আনলক করুন

ভিডিওটি দেখুন, বোনাস জিতে নিন!

উচ্চমানের বিজ্ঞাপন দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন