কিছু পাখি উড়তে পারে না কেন?
একদম ছোট বেলায় পাখায় শক্তি না থাকায় কোনো কোনো পাখি উড়তে পারে না। পেঙ্গুইন, এন. কয়েক জাতের হাঁস, নিউজিল্যাণ্ডের কিউইস ইত্যাদি উড়তে পারে না। আবার কিছু কিছু পাখি একদমই উড়ার ক্ষমতা নেই। ধারণা করা হয় যে এদের পূর্বপ্রজন্মরা এক সময় উড়তে পারত, কিন্তু ধীরে ধীরে এরা সে ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। এর সম্ভাব্য কারণ হচ্ছে : বিশেষ পরিবেশে এবং বাসভূমিতে জীবন ধারণের জন্য এদের ওড়ার প্রয়োজন হয়নি, সমুদ্র বেষ্টিত দ্বীপে ওড়া অনেক সময় বিপদজনক হয়ে উঠে ইত্যাদি।
পখিরা কিভাবে শিকার করে?
শিকারী পাখিনের প্রধানত দুটি ভাগ থকে। একটিতে বাজ ঈগল জাতীয় পাখিরা যারা দিনে শিকার করে এবং দ্বিতীয়টি পেঁচা যারা রাতের শিকারী। বিভিন্ন জাতের হলেও জীবন ধারণের প্রক্রিয়ার মিল থাকায় এদের বিশেষত্বগুলো একই রকম। পাখিদের শিকার ধরতে পারার মূল কারণ হল এদের চক্ষু ছোট, শক্ত এবং মাংস ছিড়বার জন্য বাঁকানো। এরা দ্রুত উড়বার ক্ষমতাধারী। এদের দৃষ্টিশক্তি খুবই তীক্ষ্ণ। পেঁচারা রাতেও দেখতে পায় এবং এদের শ্রবণ শক্তিও অত্যন্ত তীক্ষ্ণ।
পানির স্তন্যপায়ী প্রাণী কারা?
শুশুক (ডলফিন), তিমি, সীল ইত্যাদি স্থলের প্রাণী হলেও ইত্যাদি পুরোপুরি
পানির স্তন্যপায়ী জীব
বাদুড় অন্ধকারে শিকার ধরে কিভাবে?
রাতের অন্ধকারে উড়বার জন্য অথবা শিকার খোঁজবার জন্য বাদুড় দৃষ্টির ব্যবহার করে না। এরা উড়বার সময় একধরনের ক্ষুদ্র সময়ব্যাপী উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ প্রেরণ করে এবং বস্তু সমূহ থেকে তার প্রতিধ্বনি গ্রহণ করতে পারে। কীটপতঙ্গ থেকে প্রতিধ্বনিত শব্দ থেকে এরা শিকারের দূরত্ব এবং দিক নির্ণয় করতে পারে। বাদুড়ের এই প্রক্রিয়াকে 'প্রতিধ্বনি অবস্থান' ইকো লোকেশন বলে এবং মানুষের উন্নত 'সোনার' যন্ত্র প্রযুক্তি সমতুল্য।
মাছেরা পানিতে ভাসে কিভাবে?
বেশিরভাগ কাটাওয়ালা মাছেদের শরীরের মধ্যে একটা হাওলা সাঁতারবস্তি বা স্থলী আছে যার মধ্যে হাওয়া কমান বাড়ান যায়। মাছেরা যে গভীরতায় থাকে, স্থনীতে হাওয়া কমবেশি করে দেহের ঘনত্ব সেই পানির ঘনত্বের কাছাকাছি রাখে। এর ফলে ভেসে থাকার জন্য এদের আর কোনো শক্তি খরচ করতে হয় না।
সাপ কামড়ের সাথে বিষ ঢালে কিভাবে?
বিষাক্ত সাপের উপরের পাটিতে বিষ দাঁত থাকে। ইঞ্জেকশনের সিরিজের মত ধারালো দাঁত দুটিতে ফুটো থাকে, আর এর সাথে যোগ থাকে বিষ থলির। তাই কামড় দিলে মুখের চাপে এই বিষ দাঁতের মধ্যের ফুটো দিয়ে আক্রান্ত প্রাণীর দেহে প্রবেশ করে। বিষ দাঁত মুখের সামনের দিকে বা পেছনের দিকে থাকে। ভাইপার সাপের ক্ষেত্রে এই দাঁত এত বড় যে, বন্ধ মুখের মধ্যে ভাঁজ করে রাখতে হয়।
পাখিরা কিভাবে উড়ে?
পালকের তৈরি হালকা কিছু শক্ত ডানার সাহায্যে পাখিরা উড়তে পারে। ডানা পাখিদের শরীরের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এছাড়া উড়বার জন্য হালকা দেহও এরা তৈরি করে নিয়েছে নানা ভাবে। এদের ফাঁপা দেহের অভ্যন্তরে অনেকগুলো ফাঁক বা থলি হাওয়ায় ভর্তি, মাথার খুলি খুবই ছোট। উড়বার জন্য যথেষ্ট শক্তি ব্যয় করতে হয় সুতরাং এদের খাদ্য শক্তিতে পরিপূর্ণ। যেমন- ফল, বীজ, পোকা-মাকড় ইত্যাদি। শরীর হালকা রাখার জন্য পাখিদের খাবার খুব তাড়াতাড়ি হজম করে শক্তিতে পরিণত করে এবং অপ্রয়োজনীয় পদার্থ মল হিসেবে বের করে দেয়।
কিছু জাতের পাখি পরিযান বা মাইগ্রেট করে কেন? পাখিদের পরিযান এদের জীবনের একটি বিস্ময়কর অভ্যাস। সাধারণত শীতপ্রধান দেশের পাখিরা গ্রীষ্মের শেষে দল বেঁধে গ্রীষ্ম মণ্ডলে উপযুক্ত বাসযোগ্য স্থানে উড়ে যায়। এই পাখিরা শীত প্রধান নানা দেশ থেকে হাজার- হাজার মাইল পথ পারি দিয়ে কম শীত প্রধান দেশে চলে আসে। পরের বসন্তে আবার নির্ভুলভাবে নিজের আবাসস্থলে ফিরে যায়। সাধারণত দিনের _হ্রাস-বৃদ্ধি দেখেই পাখিরা পরিযান বা মাইগ্রেট করার সময় ঠিক করে নেয়।।