মাংসাশী প্রাণী কারা?
স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে মাংসাশী বর্গের প্রাণীরা দুটি বংশে বিভক্ত। বিড়াল বংশের অন্তর্গত বিড়াল, বেজি, সিংহ, বাঘ, চিতা বাঘ এবং কুকুর বংশের অন্তর্গত কুকুর, শিয়াল, নেকড়ে, ভল্লুক, র্যাকুন ইত্যাদি মাংসাশী প্রাণী। এরা মাংস খায় এটা এদের চরিত্রের মূল বৈশিষ্ট্য, তবে এদের মধ্যে কিছু প্রাণী যেমন বড় পান্ডা তৃণভোজী।
বাঘ কত দ্রুত ছুটতে পারে?
বিশেষ ধরনের চিতাবাঘ খুব দ্রুতগামী হয়ে থাকে। শিকার ধরার জন্য এইসব বাঘনের ঘণ্টায় প্রায় ১০৬ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে দেখা যায়। যদিও আরও জোরে ছুটতে পারে বলে মনে করা হয়ে থাকে। অবশ্য শিকার ধরার জন্যই এত দ্রুত দৌড়ায়। শিকার ধরতে না পারলে ছোটা বন্ধ করে দেয়।
উটকে মরুভূমির জাহাজ বলা হয় কেন?
মরুভূমিতে বাস ও চলাচলের জন্য উট নিজেকে উপযুক্ত করে নিয়েছে। এরা দীর্ঘকাল অর্থাৎ এক মাসেরও বেশি একটানা সময় ধরে পানি না খেয়ে থাকতে পারে। উট দেহের একচতুর্থাংশ ওজনের সমান পানি দেহ থেকে খরচ করতে পারে এবং একবার প্রচুর পানি খেয়ে পানির প্রয়োজন মেটাতে পারে। পিঠের কুঁজে এরা পানি রাখে বলে অনেকে মনে করে থাকে। কিন্তু এ ধারণা ঠিক নয়। কুঁজ এদের চর্বির ভান্ডার। এছাড়া নরম বালুতে চলবার জন্য এদের পায়ের পাতা চওড়া। বালিঝড়ের থেকে বাঁচার জন্য এদের চোখে লম্বা অক্ষিপক্ষ এবং দরকার মতন এরা নাকের ফুটো বন্ধ রাখতে পারে। এসব মিলিয়ে উট মরুভূমিতে চলার জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী প্রাণী। তাই উটকে মরুভূমির জাহাজ বলা হয়ে থাকে।
বানর আর বনমানুষের মধ্যে কিভাবে পার্থক্য করা যায়? বানর আর বনমানুষের মধ্যে মূল পার্থক্য হল বনমানুষের লেজ নেই। তাছাড়া বনমানুষের চওড়া বুক, হাত ও পায়ের বুড়ো আঙুল আছে যা অন্য আঙ্গুলের তুলনায় বড় এবং দূরে অবস্থিত। পায়ের চেয়ে হাত লম্বা এবং অঙ্গ প্রত্যঙ্গানি মানুষের মগজের ওজন কত?
মানুষের মস্তিষ্কের গড় ওজন ১,৩৫০ গ্রাম। এতে প্রায় দশ শত কোটি স্নায়ুকোষ আছে।
হরমন কাকে বলে?
উদ্ভিদ এবং প্রাণীদের বিশেষ কতকগুলি স্থানে কয়েকটি জটিল জৈব রাসায়নিক তরল পদার্থ তৈরি হয় এবং অতি সূক্ষ্ম মাত্রার শরীরের নানা জায়গায় এগুলো গিয়ে দেহের বৃদ্ধি জনন এবং অন্যান্য শরীরবৃত্তীয় কাজ করায়। এই রাসায়নিক পদার্থকেই হরমন বা উত্তেজক রস বলে। এরাই জীবদেহের রাসায়নিক সমন্বয় রক্ষা করে।
জিন কি?
জিন ক্রোমোজোমস্থিত একটি উপাদান যা স্ব-বিভাজনশীল অতি ক্ষুদ্র কিন্তু অতি শক্তিশালী এবং বংশগতির ধারক এবং বাহক। ১৯৪৩ সালে অ্যাভেরি এবং তার সহকর্মীগণ প্রমাণ করেন ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড- ডিএনএ নামক নিউক্লিক অ্যাসিড, প্রকৃতপক্ষে জিনের উপাদান।
ব্যাকটেরিয়া মারবার উপায় কি?
চরম প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও বেঁচে থাকার ক্ষমতা আছে ব্যাকটেরিয়ার। এরা তাদের এককোষী দেহের ভিতরে এন্ডোস্পোর নামে একটি শক্ত আবরণ গড়ে তোলে যা অত্যন্ত গরম ও ঠাণ্ডা সহ্য করে কয়েক বছর বেঁচে থাকতে পারে। ব্যাকটেরিয়া মারার জন্য ১২১° সেঃ উষ্ণতায় কমপক্ষে ১৫-২০ মিনিট রাখা দরকার।
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাণী কি?
অবলুপ্ত বা জীবিত প্রাণীদের মধ্যে নীল তিমি সবচেয়ে বড় প্রাণী। এরা লম্বায় ৩০ মিটারের অধিক ওজনে ১০০ টনের উপরে হতে পারে। বর্তমানে ১০০০টির মত নীল তিমির বেঁচে আছে বলে ধারণা করা হয়।
অস্ট্রিচ পাখি কোথায় বাস করে? অস্ট্রিচ পাখি যেহেতু উড়তে বা সাঁতার দিতে পারে না, মাটির মধ্যে